চায়না রাইফেল দিয়ে গুলির নির্দেশ দেননি হাবিবুর রহমান : দাবি আইনজীবীর

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে চায়না রাইফেল দিয়ে গুলি করার জন্য ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান কোনো নির্দেশ দেননি বলে দাবি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীরের একক বেঞ্চে জেরার সময় এ দাবি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইমাম হাসান তাইম হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ পান এই আইনজীবী। ১৯ নম্বর সাক্ষী হিসেবে এ মামলায় জবানবন্দি দেওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তা।

জেরায় হাসান ইমাম বলেন, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার সুদ্বীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারি বিভাগের ডিসি ইকবাল হোসেন ও এডিসি শামিমের নেতৃত্বে বিভিন্ন ইউনিট থেকে আসা ফোর্সের সদস্যরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আন্দোলনকারীদের দমনে সর্বোচ্চ চাপ ও গুলি বর্ষণ করেননি। একইসঙ্গে চায়না রাইফেল দিয়ে ফায়ার করার জন্য কোনো নির্দেশ দেননি ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

জবাবে এসব সত্য নয় বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘একটি গুলি করি, একটি মরে, বাকিডি যায় না’ ডিসি ইকবালের এমন মন্তব্যের ভিডিও ফুটেজটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেন আইনজীবী হাসান ইমাম।

প্রত্যুত্তরে সত্য নয় বলে জানান সাক্ষী।

এ মামলায় মোট আসামি ১১ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার আছেন যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন ওসি আবুল হাসান ও সাবেক এসআই শাহাদাত আলী।

পলাতকরা হলেন- ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারি জোনের সাবেক ডিসি ইকবাল হোসাইন, এডিসি শাকিল মোহাম্মদ শামীম, ডেমরা জোনের তৎকালীন এডিসি মো. মাসুদুর রহমান মনির, তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার নাহিদ ফেরদৌস, যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) ওহিদুল হক মামুন ও এসআই (নিরস্ত্র) সাজ্জাদ উজ জামান।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিমসহ অন্যরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» দৌলতদিয়ার বাস ডুবির ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন : নৌ প্রতিমন্ত্রী

» হাদির সঙ্গে ফয়সালের পরিচয় কীভাবে হলো: প্রশ্ন আব্দুল কাদেরের

» বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারজিস আলম

» এনসিপি’র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর

» বিশ্বকাপ ২০২৬: হারাতে পারে পুরোনো জৌলুশ

» মোদির ঘনিষ্ঠ নেতার সরে দাঁড়ানোয় চাপে বিজেপি

» বাজেট অধিবেশন: সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ

» শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা দেশ প্রেমিক ও রাষ্ট্রনায়ক…এমপি নয়ন

» ইসলামপুরে গাছে ঝুলে থাকা বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

» ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটা ৫ আগস্ট ঘটে যেতে পারে : সেলিম উদ্দিন

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

চায়না রাইফেল দিয়ে গুলির নির্দেশ দেননি হাবিবুর রহমান : দাবি আইনজীবীর

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে চায়না রাইফেল দিয়ে গুলি করার জন্য ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান কোনো নির্দেশ দেননি বলে দাবি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীরের একক বেঞ্চে জেরার সময় এ দাবি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইমাম হাসান তাইম হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ পান এই আইনজীবী। ১৯ নম্বর সাক্ষী হিসেবে এ মামলায় জবানবন্দি দেওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তা।

জেরায় হাসান ইমাম বলেন, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার সুদ্বীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারি বিভাগের ডিসি ইকবাল হোসেন ও এডিসি শামিমের নেতৃত্বে বিভিন্ন ইউনিট থেকে আসা ফোর্সের সদস্যরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আন্দোলনকারীদের দমনে সর্বোচ্চ চাপ ও গুলি বর্ষণ করেননি। একইসঙ্গে চায়না রাইফেল দিয়ে ফায়ার করার জন্য কোনো নির্দেশ দেননি ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

জবাবে এসব সত্য নয় বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘একটি গুলি করি, একটি মরে, বাকিডি যায় না’ ডিসি ইকবালের এমন মন্তব্যের ভিডিও ফুটেজটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেন আইনজীবী হাসান ইমাম।

প্রত্যুত্তরে সত্য নয় বলে জানান সাক্ষী।

এ মামলায় মোট আসামি ১১ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার আছেন যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন ওসি আবুল হাসান ও সাবেক এসআই শাহাদাত আলী।

পলাতকরা হলেন- ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারি জোনের সাবেক ডিসি ইকবাল হোসাইন, এডিসি শাকিল মোহাম্মদ শামীম, ডেমরা জোনের তৎকালীন এডিসি মো. মাসুদুর রহমান মনির, তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার নাহিদ ফেরদৌস, যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) ওহিদুল হক মামুন ও এসআই (নিরস্ত্র) সাজ্জাদ উজ জামান।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিমসহ অন্যরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com